Shabdaguchha, A Selection From the 14th Alternative New Year's Day Reading





Back to Issue 45_46
Back to Front Page
Shabdaguchha: Logo
Issue 45/46 : January - June, 2009 : Volume 12 No 1/2



Shabdaguchha Poetry Award 2009

The recipient of the Shabdaguchha Poetry Award 2009 is Rahman Henry, who is a significant poet of the '90s and who contributed some of his important poems to Shabdaguchha. On Dec 16, 2009, the evening of the 38th Victory Day of Bangladesh, in a ceremony at the Shabdaguchha office in New York, the guest of honor, Prof. Nicholas Birns, a faculty of New School University, announced the award on behalf of Shabdaguchha. "Rahman Henry is a poet whose work I know and respect, who is very much occupied the role of postmodern poetry," mentioned Prof. Birns after announcing the award. He also read a poem of Mr. Henry from the "Poets of Bangladesh" issue of the magazine for which he was the guest editor. A significant number of poets and writers were present during the announcement. The poet will receive $200 and a crest from Shabdaguchha.

Rahman Henry, a postmodern Bangladeshi poet and the author of ten collections of poetry, published his Selected Poems in 2008. He is the editor of Poet Tree, a Bengali poetry journal.


শব্দগুচ্ছ কবিতা পুরস্কার ২০০৯ পেলেন কবি রহমান হেনরী

শব্দগুচ্ছ কবিতা পুরস্কার ২০০৯ পেলেন বাংলাদেশের কবি রহমান হেনরী। তিনি নব্বই দশকের একজন উজ্জ্বল কবি। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ সংখ্যা ১০। তাছাড়া ২০০৮ সালে বেরিয়েছে শ্রেষ্ঠ কবিতা। ১৬ ডিসেম্বর, বিজয় দিবস সন্ধ্যায় নিউইয়র্কস্থ শব্দগুচ্ছ অফিসে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশিষ্ট গবেষক, নিউস্কুল ইউনিভার্সিটির ইংরেজী বিভাগের প্রফেসর, ড. নিকোলাস বার্নস এ পুরস্কার ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “রহমান হেনরীর কবিতার সাথে আমি পরিচিত, তিনি উত্তরাধুনিক কবিতায় একজন গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠ।” পুরস্কার ঘোষণার আগে শব্দগুচ্ছ সম্পাদক হাসানআল আব্দুল্লাহ বলেন, “সুস্থ কবিতার ধারা তৈরীর লক্ষ্যে এই পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।” এ বছরের পাঁচ নমিনির সংক্ষিত পরিচিতি তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যতে পত্রিকায় প্রকাশিত বিভিন্ন ভাষার গুরুত্বপূর্ণ কবিদেরও পুরস্কৃত করার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মূলত পুরস্কার ঘোষণা ও ৩৮তম বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কবিতাপাঠ, সঙ্গীত ও বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনায় আরো অংশ নেন নাজনীন সীমন, আব্দুল ফাত্তাহ, আনিসুর রহমান অপু ও আবু রায়হান। ২০১০ এর ফেব্রুয়ারীতে ঢাকায় বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রহমান হেনরীর হাতে পুরস্কারের ২০০ ডলার ও ক্রেস্ট তুলে দেয়া হবে।

উল্লেখ্য শব্দগুচ্ছ কবিতা পত্রিকা কর্তৃক এ পুরস্কার প্রবর্তন করা হয় ২০০১ সালে। তখন থেকে প্রতি দু’বছর পরপর পত্রিকায় প্রকাশিত কবিদের ভেতর থেকে প্রথমে পাঁচজনকে নমিনি করে সেখান থেকে বিচারকদের ভোটে একজনকে এ পুরস্কার দেয়া হয়। এ বছর নমিনি ছিলেন অনুরাধা মহাপাত্র (ভারত), আবু সাঈদ ওবায়দু্ল্লাহ (অস্ট্রেলিয়া), জাহানারা পারভীন (বাংলাদেশ), রহমান হেনরী (বাংলাদেশ) ও শম্ভু রক্ষিত (ভারত)। ইতিপূর্বে যাঁরা পুরস্কার পেয়েছেন তাঁরা হলেন রুকসানা রূপা (২০০১), বায়তুল্লাহ্ কাদেরী (২০০৩), প্রবীর দাস (২০০৫) ও নাজনীন সীমন (২০০৭)। এ বছর নমিনি নির্বাচন ও পুরস্কার চূড়ান্ত করার বিভিন্ন পর্যায়ে যারা সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন, বিশেষ করে শব্দগুচ্ছের নিয়মিত গ্রাহক, সম্পাদক মণ্ডলী ও বিচারক পর্যায়ে আমন্ত্রিত কবি-লেখক, তাদের সবাইকে শব্দগুচ্ছ’র পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।


বাংলা ক্লাবের বিজয় দিবস উদযাপন

‍ম্যানহাটনের ইউনিয়ন স্ক্যয়ারে অবস্থিত ওয়াশিংটন আরভিং হাইস্কুলের বাংলা ক্লাবের উদ্যোগে বিজয় দিবস উদযাপন করা হয় ১৬ ডিসেম্বর, বুধবার। স্কুলের প্রিন্সিপল, এ্যাসিস্টেন্ট প্রিন্সিপাল, শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ শতাধিক ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতি ৩৮তম বিজয় দিবসের এই অনুষ্ঠানটিকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছিলো। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট নার্গিস বেগম। শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রিন্সিপল মিস্টার বার্নারডো এসকোনা বলেন, “আমি আশা রাখি আরো বাঙালী ছাত্রছাত্রী ওয়াশিংটন আর্ভিং হাইস্কুলে ভর্তি হয়ে এই ক্লাবকে শক্তিশালী করে তুলবে। আমাদের স্কুল বহুজাতিক শিক্ষার্থীদের জন্যে মেল্টিংপট।” নানা জাতির সংস্কৃতি জানার জন্যে প্রয়োজনে নতুন ভাষা শেখার উপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বিজয় দিবসে সকল বাংলাদেশীকে অভিনন্দন জানান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মিস্টার ক্রুজ, মিস্টার আয়াতুয়া ও মিস্টার ভেকটর। স্বাধীনতা যুদ্ধের উপরে হাসানআল আব্দুল্লাহ সম্পাদিত বিশেষ ভিডিও, দ্যা বার্থ অব বাংলাদেশ প্রদর্শনের পর নজরুলের “মোমির পুতুল মমির দেশের মেয়ে” গানটির সাথে দ্বৈত নৃত্য পরিবেশন করেন নার্গিস ও হ্যাপী। পরে নার্গিস বেগম একটি একক নৃত্যেও সকলের মন জয় করে নেন। কবিতা পড়ে শোনান কবি ও স্কুলের বাঙালী শিক্ষিকা নাজনীন সীমন। বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী আল আমিনের “নাতি খাতি বেলা গেলো”র সাথে বিভিন্ন ভাষাভাষী ছাত্রছাত্রীর গলা মেলানোর দৃশ্যটি ছিলো একটি অভূতপূর্ব সাফল্য। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ছাত্র, হাসান সারওয়ারের বক্তব্যে পূর্বপুরুষের কৃতকর্মের অনুশোচনার সাথে সাথে ছিলো এগিয়ে যাবার প্রত্যয়। সুদৃশ্য ব্যানার, কাগজ কেটে বাংলাদেশের মানচিত্র তৈরী, বঙ্গবন্ধু ও সাত বীরশ্রেষ্ঠের ছবি ও নজরুল রবীন্দ্রনাথ শামসুর রাহমানের ছবি ও কবিতা দিয়ে দেয়ালিকা; এ্যালেন গিন্সবার্গের কবিতা ও জর্জ হ্যারিসনের কনসার্টের পোস্টার ইত্যাদির ভেতর দিয়ে স্বদেশের গৌরবগাথা তুলে ধরেন ক্লাবের বাঙালী ছাত্রছাত্রীরা। সব শেষে কেক ও দেশীয় খাবারে উপস্থিত সবাইকে আপ্যায়ন ছিলো বাঙালী হৃদ্যতার প্রতীক। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ক্লাবের এডভাইজর মিস্টার আব্দুল্লাহ তাঁকে সহযোগিতা করেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট নার্গিস বেগম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই, আবুল খায়ের, মিসবাহ উদ্দীন, আখতারুন, সাদমান রহমান, ইসরাত জাহান, উম্মে ফারহানা প্রমুখ।

            -শব্দগুচ্ছ।

Shabdaguchha, an International Bilingual Poetry Journal, edited by Hassanal Abdullah